ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন যে, যদি হামাস শনিবার দুপুরের মধ্যে জিম্মিদের মুক্ত না করে, তবে চলমান যুদ্ধবিরতি শেষ হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) হামাসকে সম্পূর্ণ পরাজিত না করা পর্যন্ত ব্যাপক সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করবে।
এই আল্টিমেটাম এমন এক সময়ে এসেছে যখন হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে, যার ফলে নির্ধারিত জিম্মি বিনিময় বিলম্বিত হয়েছে। এর জবাবে, নেতানিয়াহু গাজার আশপাশে ইসরায়েলি বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন, সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
যুদ্ধবিরতির আওতায় হামাস ২১ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে, আর ইসরায়েল পাল্টা কয়েকশ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্ত করেছে। তবে, শনিবারের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে, এবং উভয় পক্ষ একে অপরকে চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য দোষারোপ করছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের এই দাবিকে সমর্থন করেছেন যে, বাকি সব জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। তিনি গাজাকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও উত্থাপন করেছেন, যেখানে ফিলিস্তিনিদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে স্থানান্তরের প্রস্তাব রয়েছে। তবে, আরব দেশগুলো এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে এবং এটি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং উভয় পক্ষকে চুক্তি মেনে চলার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। শনিবারের সময়সীমার আগে চুক্তি না হলে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও বিস্তারিত জানতে পারেন:

0 মন্তব্যসমূহ