সাইফ আলী খানের ওপর হামলার ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার তিন দিনের মধ্যেই মুম্বই পুলিশ অভিযুক্ত শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। শরিফুলের আঙ্গুলের ছাপ মিলেছে বলে জানা গেছে। তবে এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, আদৌ সাইফের ওপর কোনো হামলা হয়েছিল কিনা।
অনেকের ধারণা, এই ঘটনার পেছনে কারিনা কাপুর খানের ভূমিকা থাকতে পারে। এদিকে, এই গুঞ্জনের মধ্যেই কারিনা একটি রহস্যঘেরা পোস্ট করেন, যা নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল, শরিফুল ইসলাম সাইফের ওপর ছয়বার ছুরি দিয়ে আঘাত করেছিলেন। শিরদাঁড়ায় ছুরি আটকে থাকা অবস্থায় সাইফকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং গুরুতর অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে পাঁচ দিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলে তার চেহারা দেখে অনেকেই অবাক হন। তার শরীরে হাতের কব্জি ও ঘাড়ের কাছে ব্যান্ডেজ ছাড়া আর কোনো ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়নি। পরিষ্কার করে দাঁড়ি কামানো, ঝকঝকে চেহারা এবং চোখে-মুখে ঔজ্জ্বল্য দেখে অনেকের মনে সন্দেহ জাগে।
এদিকে, কারিনা কাপুর খান তার রহস্যময় পোস্টে লিখেছেন, "বিয়ে, বিচ্ছেদ, ভয়, শিশুর জন্য, প্রিয়জনের মৃত্যু, সন্তান পালন করার মতো বিষয় আপনি কখনোই বুঝবেন না। যতদিন না আপনার সঙ্গে এগুলো হচ্ছে, আপনি বুঝবেন না। জীবনের কোনো পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন ধারণা ও কল্পনা কিন্তু বাস্তব নয়। আপনি হয়তো ভাবেন, অন্যদের চেয়ে আপনি বেশি চালাক। তারপরে আপনার পালা এলে আপনারও মাটিতে পা পড়বে।" এই পোস্ট নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
অভিনেতা ও স্বঘোষিত চিত্র সমালোচক কমল আর খান এই ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেন, "সাইফকে ছয়বার ছুরি দিয়ে কোপানো হলো, অথচ হামলাকারীকে একটা আঁচড় পর্যন্ত দেননি সাইফ! যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার সঙ্গে সিসিটিভি’র ফুটেজে ধরা পড়া ব্যক্তির মুখের কোনো মিল নেই। তাই আমার মনে হয়, সে রাতে ওদের বাড়িতে কেউ আসেনি। এটা আসলে সাইফ-কারিনার ঝগড়ার পরিণতি।"
এই ঘটনা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে, এবং অনেকেই মনে করছেন যে এটি সাইফ ও কারিনার ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের ফলাফল হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট প্রমাণ বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।


0 মন্তব্যসমূহ