v সিঁথি বিয়ের পর ঠাণ্ডা এবং শান্ত মেয়ে হয়ে যাবেন

Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

সিঁথি বিয়ের পর ঠাণ্ডা এবং শান্ত মেয়ে হয়ে যাবেন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার কারণে ফারজানা সিঁথি স্যোশাল মিডিয়ায় বেশ আলোচিত নাম হয়ে ওঠেন। আন্দোলনের মাঠে তার স্লোগান কাঁপানো ভূমিকার জন্য তাকে "বাঘিনী কন্যা" উপাধিও দেওয়া হয়। 

সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তার তোলা প্রশ্ন এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, হাসিনা সরকার পতনের পর এক সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে আবারও আলোচনায় আসেন তিনি। 

বর্তমানে সিঁথি বিনোদন জগতে নিজেকে নতুন পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত করছেন এবং প্রতিবাদী ভূমিকা থেকে ধীরে ধীরে এক শান্ত জীবনযাপনের চেষ্টা করছেন।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিঁথি তার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। রিলেশন স্ট্যাটাস নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, “আমি ভালোবাসতে ভালোবাসি, কিন্তু এ মুহূর্তে কোনো সম্পর্কে নেই।”

সিঁথি অকপটে স্বীকার করেন, এইচএসসি পড়ার সময় তার প্রথম প্রেম হয়েছিল। এখন পর্যন্ত তিনি তিনটি সম্পর্কে জড়িয়েছেন। যদিও প্রথম দুটি সম্পর্কে বিশেষ স্মৃতি নেই, তবে শেষ সম্পর্কের বিচ্ছেদ তাকে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “যখন মনে হয় সম্পর্ক আর কাজ করছে না বা বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে, তখন বিদায় দেওয়া ভালো। এতে কষ্ট কম হয়।”


তার প্রাক্তন প্রেমিকেরা তাকে নিয়ে আফসোস করেন কিনা, এমন প্রশ্নে সিঁথি জানান, “না, আমার প্রাক্তনরা আমাকে নিয়ে খুশি এবং গর্বিত। এমনকি তারা আমাকে শুভেচ্ছা জানাতেও ফোন করেছে। প্রথমজন সম্পর্কে অবশ্য আমি তেমন কিছু জানি না, শুনেছি সে বিদেশে চলে গেছে।”

ভালোবাসা নিয়ে সিঁথি বলেন, “যুদ্ধক্ষেত্রে আমাকে নিয়ে গেলে আমি যুদ্ধ করে জয়ী হতে পারি। কিন্তু ভালোবাসার ক্ষেত্রে আমি অনেক বেশি আবেগপ্রবণ। কেউ যদি বিষও দেয়, আমি তা খেয়ে নেব।”

সিঁথির সঙ্গে ভবিষ্যতে কেউ সম্পর্ক গড়তে চাইলে তার যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “জাস্ট আমার আবেগগত দায়িত্বগুলো নাও। এর বেশি কিছু আমার প্রয়োজন নেই।”

বিয়ে নিয়ে সিঁথি জানান, আপাতত পাঁচ বছরের মধ্যেও তার বিয়ের কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে তার বাবা মনে করেন, সিঁথি বিয়ের পর ঠাণ্ডা এবং শান্ত মেয়ে হয়ে যাবেন। সাক্ষাৎকারের শেষাংশে সিঁথি বলেন, “আমি ভালোবাসার জন্য নয়, বরং ভালোবাসা হারানোর জন্য অনেক কেঁদেছি। তবে আমি কখনো চাইনি সেই ভালোবাসা ফিরে আসুক।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ